গল্পঃ অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। লেখকঃ যুবরাজ। – WizBD.Com
Search Any Post Of WizBD.Com
 HomeUncategorizedগল্পঃ অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। লেখকঃ যুবরাজ।

গল্পঃ অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। লেখকঃ যুবরাজ।

হালকা স্রোত বয়ে যাচ্ছে,সাথে যাচ্ছে হালকা হালকা কচুরি পাণা | ঠিক পাশেই নিথর হয়ে দাড়িয়ে আছে একটা লম্বা তাল গাছ | পাশ দিয়ে বিস্তর এলাকা জুড়ে ছিটিয়ে আছে আবাদি জমি | উঁচু ঢিবির মতন ইট দিয়ে তৈরি করা একটা গুড়ি জাতীয় জিনিসের ওপর বসে আছে মুয়াজ | হাতে সিগারেট।মুখে নেওয়ার খোজ নেই,শুধু শুধু পুড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে।ওদিকে কোন খেয়ালই নেই ওর।ও শুধু দেখছে সূর্য কিভাবে পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ছে। ঠিক এভাবেই একদিন ওর কোলে ঢলে পড়েছিল জুঁই। নাহ্ !আর ভাবতে পারছে না সে।হঠাত্ই চোখ পড়ল সিগারেটের ওপর।আস্তে আস্তে জ্বলে জ্বলে নিশ্বেষ হয়ে যাচ্ছে সেটা। তখনই মনে পড়ল হ্যাঁ,ঠিক এভাবেই আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাচ্ছে সে। মনে পরে সেই বছর খানেক আগে,ক্লাস নাইনের ঘটনা। সিড়ি বেয়ে ওপরে উঠছিল সে।এমন সময় কোন যেন ক্লাসের মেয়েরা চিল্লাচিল্লি করতে করতে নামছিল।হঠাত্ কারও এক ধাক্কায় একটা মেয়ে লাফিয়ে এসে পরে মুয়াজের ওপর। দৃশ্যটা স্লো মোশনে দেখতে পারলে হয়ত খুব ভালো হত।কিন্তু দূর্ভাগ্য,সেখানে কোন ক্যামেরা ছিল না। মুয়াজ প্রথমে হকচকিয়ে গেলেও পরে মেয়েটার নিশ্পাপ চেহারা দেখে সব ভুলে যায়।এটাও ভুলে যায় যে সে কখনও কোন মেয়ের দিকে তাকায় না।(এজন্য অবশ্য তাকে অনেক গুলা নামের অধিকারি হতে হয়েছে) মেয়েটার চেহারা ছিল ঠিক উজ্জল শ্যামলা ধরনের,চোখ দু’টো ছিল একটু টানা টানা, আর সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল গালের ওপর ছোট্ট একটা তিল। প্রায় পনের সেকেন্ড এভাবে থাকার পর,মেয়েদের হাসাহাসিতে স্তম্ভিত ফিরে পায় মুয়াজ।সাথে সাথে সে মেয়েটিকে ছেড়ে দিয়ে নিজের ক্লাসরুমে চলে যায়।সে সেদিন অনেক লজ্জা পায়।হাজার হলেও স্কুলের ভালো ছাএ এবং ভদ্রদের মধ্যে সে একজন। পরে বন্ধুদের দ্বারা জানতে পারে যে,মেয়েটির নাম জুঁই।ক্লাস এইটে পড়ে। এতক্ষনে সিগারেট পুড়ে এর ফিল্টার শেষ হয়ে আগুন এসে হাতে লাগে।তখনই মুয়াজ হুশ ফিরে পেয়ে হাতটা হালকা ঝাকি দিয়ে ফেলে দেয় সিগারেটের মোথা। ফেলে দেওয়ার সাথে সাথে মনে পড়ে নিজের কথা। ভাবতে থাকে,এভাবেই কি কেউ আমাকে পুড়িয়ে ফেলে দিচ্ছে.? ভাবতে ভাবতে আবার চলে যায় মাস খানেক আগের ঘটনায়….. -কি ব্যাপার,এত ফোন করছো কেন.?(জুঁই,রাগত স্বরে) -কার সাথে কথা বলছিলা জান.?সেই কখন থেকে ফোন করে যাচ্ছি।শুধু কল ওয়েটিং দেখায়.?(মুয়াজ) -ও এই কথা.? আমি আমার মামার সাথে কথা বলছিলাম জানু।তাকে কি ফোন রাখতে বলা যায়,তুমিই বলো। -না না।ঠিক আছে। চলতে থাকে তাদের আনলিমিটেড কথা। মুয়াজ কিছুদিন ধরেই কল ওয়েটিং পাচ্ছে জুঁইয়ের।মনে একটু সন্দেহ থাকলেও জুঁইয়ের মন ভোলানো কথায় সব ভুলে যায় সে। এতক্ষনে একটু একটু রাতের আঁধার নামতে শুরু করেছে। ঘন অন্ধকার নামতে আর বেশি দেরী নেই।এরমধ্যেই দুরের কোন এক ডিপ টিউবয়েলের ঘরে আলো জ্বলে উঠল।নিকশ কালো অন্ধকারের মধ্যে অল্প একটু আলোতেই যেন ওই এলাকা প্রাণ পেয়েছে। এই রাতের অন্ধকারের কথা ভাবতে ভাবতেই মনে পরে যায় নিকট অতীত কালের রাতগুলোর কথা।কত মজাই না হত প্রত্যেক রাতে!দুষ্টু মিষ্টি খুনসুটিতে মেতে থাকত সারাক্ষন।আর এখন এগুলো সবই স্বপ্ন। ঠিক তখনই মনে পরে প্রথম প্রোপোজ করার কথা। নীল গেন্জী,সাদা প্যান্ট,হাতে লাল গোলাপ,মাঠের এক কোণে জুঁইয়ের জন্য অপেক্ষা,প্রথমেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা। কিছুদিন পর আবার জুঁইয়ের কাছ থেকে পাওয়া চিঠি।। শুরু হয় তাদের সুখ দুঃখের পথচলা। সব কথাগুলো এখন মনের কোণে চারা দিয়ে উঠছে।এই স্মৃতিগুলাও না সুবিধার না।যখন মনের ভেতর কোন কষ্ট এসে ভর করে ঠিক তখনই পুরনো স্মৃতিগুলো এসে জ্বালাতন করে।একেবারে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেওয়ার মত অবস্থা। সুখের কথাগুলো মতে হতেই আবার আরেকটা সিগারেটে আগুন জ্বালালো মুয়াজ।সে দেখছে কিভাবে একটা কাগজের তৈরি দন্ড পুড়ে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। কিছুক্ষনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে এটাও। এই দুই দিনেই মুয়াজ একটা পাকা সিগারেট খোর হয়ে গেছে। একটা শীতল হাওয়া বয়ে গেল প্রকৃতি জুড়ে।শরীরটা হালকা ঝাকি দিয়ে উঠল মুয়াজের।সে ভাবলো,এখনই বাড়ি যেতে হবে।অনেক রাত হয়ে গেছে। ঢিবিটা ছেড়ে উঠতে গিয়েই মনে পরে গেল চার দিন আগের কথা।। পাশের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় মুয়াজ খেয়াল করে এই ঢিবিটাতে দুই জন বসে আছে।একজন ছেলে আর অন্যজন মেয়ে।সামনে নদীর দিকে তাকিয়ে,হাতে হাত.গা ঘেষাঘেষী করে বসা। জায়গাটা একটু নির্জন বলে এখানে জোড়াদের অভাব হয় না।প্রতি বিকালে এখানে ছেলেমেয়েদের আনাগোনা অনেক আগে থেকেই। পেছন থেকে মেয়েটাকে একটু চিনা চিনা লাগল মুয়াজের। ওর কাছে মনে হল মেয়েটা যেন জুঁইয়েরই অবয়ব। ভয়ে ভয়ে ওদের দিকে এগিয়ে গিয়ে মেয়েটার পিঠে আলতো হাত দিতেই পেছনে তাকায়।মুয়াজ তো অবাক। একি.! এ তো মুয়াজেরই জুঁই।সাথে যে ছেলেটা ছিল তাকেও চিনতে অসুবিধা হয় নি মুয়াজের।সে ছিল ওখান কারই এক নেতার ছেলে রাজীব। সেদিন জুঁইকে কিছুই বলতে পারে নি মুয়াজ।শুধু নিরবে শুনে গেছে জুঁইয়ের মুখের কটুক্তি গুলা।সাথে ফ্রি পেয়েছে রাজীবের লোমশ হাতের একটা ঠান্ডা থাপ্পর। কথাগুলো মনে পরতেই চোখের কোণে একফোটা জল চলে এলো মুয়াজের। মুয়াজ বুঝতে পারে সে এখন হাটছে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের উদ্দেশ্যে।।যার ওপার আছে শুধুই অন্ধকার আর অন্ধকার। . লেখা: jubo Raj post: হেমন্তে বর্ষায় আমি
JoyBD.COM
“অনিশ্চিত ভবিষ্যত”
হালকা স্রোত বয়ে যাচ্ছে,সাথে যাচ্ছে হালকা হালকা কচুরি
পাণা | ঠিক পাশেই নিথর হয়ে দাড়িয়ে আছে একটা লম্বা তাল
গাছ | পাশ দিয়ে বিস্তর এলাকা জুড়ে ছিটিয়ে আছে আবাদি জমি
| উঁচু ঢিবির মতন ইট দিয়ে তৈরি করা একটা গুড়ি জাতীয় জিনিসের
ওপর বসে আছে মুয়াজ |
হাতে সিগারেট।মুখে নেওয়ার খোজ নেই,শুধু শুধু পুড়ে
শেষ হয়ে যাচ্ছে।ওদিকে কোন খেয়ালই নেই ওর।ও
শুধু দেখছে সূর্য কিভাবে পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ছে।
ঠিক এভাবেই একদিন ওর কোলে ঢলে পড়েছিল জুঁই।
নাহ্ !আর ভাবতে পারছে না সে।হঠাত্ই চোখ পড়ল
সিগারেটের ওপর।আস্তে আস্তে জ্বলে জ্বলে
নিশ্বেষ হয়ে যাচ্ছে সেটা।
তখনই মনে পড়ল হ্যাঁ,ঠিক এভাবেই আস্তে আস্তে শেষ
হয়ে যাচ্ছে সে।
মনে পরে সেই বছর খানেক আগে,ক্লাস নাইনের ঘটনা।
সিড়ি বেয়ে ওপরে উঠছিল সে।এমন সময় কোন যেন
ক্লাসের মেয়েরা চিল্লাচিল্লি করতে করতে নামছিল।হঠাত্
কারও এক ধাক্কায় একটা মেয়ে লাফিয়ে এসে পরে
মুয়াজের ওপর।
দৃশ্যটা স্লো মোশনে দেখতে পারলে হয়ত খুব
ভালো হত।কিন্তু দূর্ভাগ্য,সেখানে কোন ক্যামেরা ছিল না।
মুয়াজ প্রথমে হকচকিয়ে গেলেও পরে মেয়েটার
নিশ্পাপ চেহারা দেখে সব ভুলে যায়।এটাও ভুলে যায় যে
সে কখনও কোন মেয়ের দিকে তাকায় না।(এজন্য অবশ্য
তাকে অনেক গুলা নামের অধিকারি হতে হয়েছে)
মেয়েটার চেহারা ছিল ঠিক উজ্জল শ্যামলা ধরনের,চোখ
দু’টো ছিল একটু টানা টানা,
আর সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল গালের ওপর ছোট্ট
একটা তিল।
প্রায় পনের সেকেন্ড এভাবে থাকার পর,মেয়েদের
হাসাহাসিতে স্তম্ভিত ফিরে পায় মুয়াজ।সাথে সাথে সে
মেয়েটিকে ছেড়ে দিয়ে নিজের ক্লাসরুমে চলে
যায়।সে সেদিন অনেক লজ্জা পায়।হাজার হলেও স্কুলের
ভালো ছাএ এবং ভদ্রদের মধ্যে সে একজন।
পরে বন্ধুদের দ্বারা জানতে পারে যে,মেয়েটির নাম
জুঁই।ক্লাস এইটে পড়ে।
এতক্ষনে সিগারেট পুড়ে এর ফিল্টার শেষ হয়ে আগুন
এসে হাতে লাগে।তখনই মুয়াজ হুশ ফিরে পেয়ে হাতটা
হালকা ঝাকি দিয়ে ফেলে দেয় সিগারেটের মোথা।
ফেলে দেওয়ার সাথে সাথে মনে পড়ে নিজের কথা।
ভাবতে থাকে,এভাবেই কি কেউ আমাকে পুড়িয়ে
ফেলে দিচ্ছে.? ভাবতে ভাবতে আবার চলে যায় মাস
খানেক আগের ঘটনায়…..
-কি ব্যাপার,এত ফোন করছো কেন.?(জুঁই,রাগত স্বরে)
-কার সাথে কথা বলছিলা জান.?সেই কখন থেকে ফোন
করে যাচ্ছি।শুধু কল ওয়েটিং দেখায়.?(মুয়াজ)
-ও এই কথা.? আমি আমার মামার সাথে কথা বলছিলাম জানু।তাকে কি
ফোন রাখতে বলা যায়,তুমিই বলো।
-না না।ঠিক আছে।
চলতে থাকে তাদের আনলিমিটেড কথা।
মুয়াজ কিছুদিন ধরেই কল ওয়েটিং পাচ্ছে জুঁইয়ের।মনে
একটু সন্দেহ থাকলেও জুঁইয়ের মন ভোলানো কথায় সব
ভুলে যায় সে।
এতক্ষনে একটু একটু রাতের আঁধার নামতে শুরু করেছে।
ঘন অন্ধকার নামতে আর বেশি দেরী নেই।এরমধ্যেই
দুরের কোন এক ডিপ টিউবয়েলের ঘরে আলো
জ্বলে উঠল।নিকশ কালো অন্ধকারের মধ্যে অল্প একটু
আলোতেই যেন ওই এলাকা প্রাণ পেয়েছে।
এই রাতের অন্ধকারের কথা ভাবতে ভাবতেই মনে পরে
যায় নিকট অতীত কালের রাতগুলোর কথা।কত মজাই না হত
প্রত্যেক রাতে!দুষ্টু মিষ্টি খুনসুটিতে মেতে থাকত
সারাক্ষন।আর এখন এগুলো সবই স্বপ্ন।
ঠিক তখনই মনে পরে প্রথম প্রোপোজ করার কথা।
নীল গেন্জী,সাদা প্যান্ট,হাতে লাল গোলাপ,মাঠের এক
কোণে জুঁইয়ের জন্য অপেক্ষা,প্রথমেই প্রস্তাব
প্রত্যাখ্যান করা।
কিছুদিন পর আবার জুঁইয়ের কাছ থেকে পাওয়া চিঠি।।
শুরু হয় তাদের সুখ দুঃখের পথচলা।
সব কথাগুলো এখন মনের কোণে চারা দিয়ে উঠছে।এই
স্মৃতিগুলাও না সুবিধার না।যখন মনের ভেতর কোন কষ্ট
এসে ভর করে ঠিক তখনই পুরনো স্মৃতিগুলো এসে
জ্বালাতন করে।একেবারে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেওয়ার
মত অবস্থা।
সুখের কথাগুলো মতে হতেই আবার আরেকটা
সিগারেটে আগুন জ্বালালো মুয়াজ।সে দেখছে কিভাবে
একটা কাগজের তৈরি দন্ড পুড়ে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে।
কিছুক্ষনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে এটাও।
এই দুই দিনেই মুয়াজ একটা পাকা সিগারেট খোর হয়ে
গেছে।
একটা শীতল হাওয়া বয়ে গেল প্রকৃতি জুড়ে।শরীরটা
হালকা ঝাকি দিয়ে উঠল মুয়াজের।সে ভাবলো,এখনই বাড়ি
যেতে হবে।অনেক রাত হয়ে গেছে।
ঢিবিটা ছেড়ে উঠতে গিয়েই মনে পরে গেল চার দিন
আগের কথা।।
পাশের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় মুয়াজ খেয়াল করে এই
ঢিবিটাতে দুই জন বসে আছে।একজন ছেলে আর
অন্যজন মেয়ে।সামনে নদীর দিকে তাকিয়ে,হাতে হাত.গা
ঘেষাঘেষী করে বসা।
জায়গাটা একটু নির্জন বলে এখানে জোড়াদের অভাব
হয় না।প্রতি বিকালে এখানে ছেলেমেয়েদের
আনাগোনা অনেক আগে থেকেই।
পেছন থেকে মেয়েটাকে একটু চিনা চিনা লাগল মুয়াজের।
ওর কাছে মনে হল মেয়েটা যেন জুঁইয়েরই অবয়ব।
ভয়ে ভয়ে ওদের দিকে এগিয়ে গিয়ে মেয়েটার পিঠে
আলতো হাত দিতেই পেছনে তাকায়।মুয়াজ তো অবাক।
একি.! এ তো মুয়াজেরই জুঁই।সাথে যে ছেলেটা ছিল
তাকেও চিনতে অসুবিধা হয় নি মুয়াজের।সে ছিল ওখান কারই
এক নেতার ছেলে রাজীব।
সেদিন জুঁইকে কিছুই বলতে পারে নি মুয়াজ।শুধু নিরবে
শুনে গেছে জুঁইয়ের মুখের কটুক্তি গুলা।সাথে ফ্রি
পেয়েছে রাজীবের লোমশ হাতের একটা ঠান্ডা
থাপ্পর।
কথাগুলো মনে পরতেই চোখের কোণে একফোটা
জল চলে এলো মুয়াজের।
মুয়াজ বুঝতে পারে সে এখন হাটছে এক অনিশ্চিত
ভবিষ্যতের উদ্দেশ্যে।।যার ওপার আছে শুধুই অন্ধকার
আর অন্ধকার।
.
লেখা: jubo Raj

5 months ago (5:41 am) 561 views

About Author (10)

wavatar
Author

আমাকে আমার মতো থাকতে দাও। আমি নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি।

1 responses to “গল্পঃ অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। লেখকঃ যুবরাজ।”

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts

Copyright © WizBD.Com, 2018