Search Any Post Of WizBD.Com
 HomeTechnology Updateপ্রযুক্তি খাতে চাকরির সুযোগ বাড়লেও আগ্রহী নয় বেশিরভাগই

প্রযুক্তি খাতে চাকরির সুযোগ বাড়লেও আগ্রহী নয় বেশিরভাগই

চাকরি বাজারে কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ডিগ্রিধারীদের চাহিদা বাড়ছে। গেল বছর এই দুই বিভাগ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের ৭৭ ভাগ চাকরি পেয়েছেন। অন্য বিষয়ে গ্রাজুয়েটদের তুলনায় বেতনও বেশি তাদের।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এডিবির এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। তবে দেশে সুবিধার পরেও দেশে চাকরি করতে আগ্রহী নন এসব শিক্ষার্থীদের ৬০ ভাগই। ৩৫ লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক ডিগ্রী নিয়ে বের হচ্ছেন প্রতিবছর সরকারি-বেসরকারি ৯৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

এসব ছাদের মাত্র ৪০ ভাগের চাকরি মিলছে পাশ করার পরের দুই বছরের মধ্যে। অথচ চাকরি পাওয়ার সেই হার ৭৭ ভাগের বেশি কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের বেলায়!

দেশের নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই হাজার স্নাতক ডিগ্রিধারীদের উপর জরিপ চালিয়ে এমন তথ্য দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এডিবি।

বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেছেন, “কোম্পানিগুলো কিন্তু ডিজিটালাইজড হচ্ছে, অটোমেশন করছে, সরকারের একটা বড় প্লেন আছে যে ই-গভর্নেন্স শুরু করা এবং নানা রকম সিটিজেন সার্ভিস গুলোকে অনলাইনে নিয়ে আসা।”

তিনি আরোও বলেন, “এতকিছুর একটিভিটির জন্য আমাদের এখানে ইন্ডাস্ট্রিজের ডিমান্ড অনেক বেশি বেড়ে গেছে এবং তরুণরা এদিকে অনেক জুকেছে। সেজন্য এখানে জব প্লেসমেন্ট হঠাৎ করে অনেক বেড়ে গেছে গত ১০ বছরে।”

চাকরি প্রাপ্তিতে সবচেয়ে এগিয়ে ইসলামিক প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীরা। ২০১৮ সালে চাকরি পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি কম্পিউটার সাইন্স বিভাগের ৯২ ভাগ ডিগ্রিধারী। অবস্থানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যার প্রায় ৯১ ভাগ শিক্ষার্থীরা চাকরি পেয়েছেন।

এরপরেই আছে বেসরকারি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি। তাদের চাকরি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংখ্যা যথাক্রমে ৮৭ ভাগ এবং ৮৩ ভাগ। জরিপে অংশ নেয়া আইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সবচেয়ে কম চাকরি পেয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তালিকার ৮ নম্বরে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ইসলামী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের প্রধান ডঃ মোঃ মাহবুব আলম বলেছেন, “এ সাকসেস এর পিছনে প্রধানত তিনটি কারণ আছে বলে আমরা মনে করি। একটা হচ্ছে আইওটি তে খুবই রেগুলারলি ক্লাস হয়। এবং একাডেমিক ক্যালেন্ডার এর ব্যাপারে খুবই স্ট্রেইট এবং আমরা একাডেমিক ক্যালেন্ডার খুবই কঠিন ভাবে ফলো করি। যার কারনে স্টুডেন্টরা খুবই ডিসিপ্লিনড। তিন নম্বর হচ্ছে আইওটি সিলেবাস হচ্ছে খুবই আপডেটেড একটি সিলেবাস।”

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের প্রধান মাহবুবুল আলম মজুমদার বলেছেন, “আমরা চেষ্টা করছি তাদেরকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কিল শেখানোর। আরব প্র্যাকটিক্যাল স্কেল শেখানোর। মনে হয় আমরা প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে এগোচ্ছি তাই আমাদের শিক্ষার্থীরা চাকরি পাচ্ছে।”

শুধু চাকরির সুযোগ নয়, বেতন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে এই দুই বিষয়ের স্নাতক ধারীরা। একটা জরিপ বলছে গড়ে আর ৩৮,৭৮০ টাকা বেতনে চাকরি শুরু করেন এসব শিক্ষার্থীরা। সেখানে অন্য স্নাতক ধারীদের চাকরি শুরুর গড় বেতন ৩০ হাজার টাকা। যদিও দেশে কাঙ্খিত চাকরির সুযোগ কম বলে মনে করেন ৬০ ভাগ ডিগ্রিধারী।

বুয়েট এর একজন শিক্ষার্থী বলেছেন, “বাংলাদেশের কোন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড বিখ্যাত কোম্পানি নাই কিন্তু বাহিরের যে অপর্চুনিটি টা তাতে আপনি যদি নিজের যোগ্যতায় সেখানে যেতে পারেন তাহলে আপনার হয়তো মনে হতে পারে যে আপনি আপনার মেধার কিছুটা মূল্যায়ন পাচ্ছেন।”

তিনি আরোও বলেন, “আমার মনে হয় না বাংলাদেশ সিএসই স্টুডেন্ট এর জন্য সেই জায়গাটি এখনো তৈরি করতে পেরেছে যার জন্য আসলে আমরা চিন্তা করব না যে বাইরে যাবো না।”

অন্য আর একটি জরিপ বলছে আইটি খাতে পুরুষের তুলনায় এখনো নারীরা অনেক পিছিয়ে। এই খাতে নারী স্নাতক ধারীর চাকরি প্রাপ্তির হার ৫১.৬ ভাগ, যেখানে পুরুষের ৮২ ভাগেরও বেশি।

2 weeks ago (7:23 pm) 220 views
Report

About Author (817)

JS Masud
Administrator

Quran is only medicine of heart. and remember Allah is very powerful.

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts

Copyright © WizBD.Com, 2018-2019