Search Any Post Of WizBD.Com
 HomeStories[ISLAMIC POST]জেনে নিন একজন মহান মনিষি সম্পর্কে কিছু তথ্য [পর্ব ১]

[ISLAMIC POST]জেনে নিন একজন মহান মনিষি সম্পর্কে কিছু তথ্য [পর্ব ১]

[ISLAMIC POST]জেনে নিন একজন মহান মনিষি সম্পর্কে কিছু তথ্য [পর্ব ১]

আসসালামু আলাইকুম

আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি একটি গুরুত্বপূর্ণ Post । আজ আমরা আজানৰ ইবনে সিনা সম্পর্কে কিছু তথ্য তো জেনে নিন


======================
ইবনে সিনা
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম সেরা
চিকিৎসক, গণিতজ্ঞ,
জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং
দার্শনিক
আবু আলী হোসাইন ইবনে সিনা
(বুআলি সিনা, ৯৮০ -১০৩৭)
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম সেরা
চিকিৎসক, গণিতজ্ঞ,
জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং
দার্শনিক। তাকে সর্ববিদ্যায়
পারদর্শী হিসেবে আখ্যায়িত
করা যায়। তাকে একইসাথে
ইরান,
তুরস্ক, আফগানিস্তান এবং
রাশিয়ার বিজ্ঞজনেরা তাদের
জাতীয় জ্ঞানবীর হিসেবে দাবী
করে। মুসলিম বিশ্বে এখন তার
প্রভাব সবচেয়ে বেশি।যদিও উনি
কাফের বলেই ঘোষিত ছিলেন।
======================
মধ্যযুগীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের
ভিত রচনায় তার অবদান
অনস্বীকার্য। তার মূল অবদান
ছিল
চিকিৎসা শাস্ত্রে। তিনি
চিকিৎসা শাস্ত্রের বিশ্বকোষ
আল-কানুন ফিত-তিব রচনা করেন
যা ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্তও
প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিভিন্ন
বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল
প্রতিষ্ঠানসমূহে পাঠ ছিল।
আরবিতে ইবন সিনাকে
আল-
শায়খ আল-রাঈস তথা
জ্ঞানীকুল শিরোমণি হিসেবে
আখ্যায়িত করা হয়। ইউরোপে
তিনি
আভিসিনা (Avicenna) নামে
সমধিক পরিচিত, হিব্রু ভাষায়
তার নাম Aven Sina।আরবে তার
পুরো নাম
আবু আলী হোসাইন
ইবনে আব্দুল্লাহ আল হাসান
ইবনে আলী ইবনে সিনা


জন্ম আনুমানিক ২২
আগস্ট
৯৮০
খ্রিষ্টাব্দ / ৩৭০
হিজরি
আফশানা, সামানিদ
সাম্রাজ্যের
(বর্তমানের
উজবেকিস্তান)
রাজধানী বুখারার
নিকটস্থ।
মৃত্যু হামাদান, পারস্য
(ইরান)
মধ্যযুগ ইসলামি
স্বর্ণযুগ
অঞ্চল পারস্য (ইরান),
প্রধানত সামানিদ
সাম্রাজ্যের
অধীনস্থ বৃহত্তর
খোরাসান। ১৯
বছর ছিলেন
বুখারায়, ১৩ বছর
কোনিয়ে-
উরগেঞ্চ-এ,
ইরানের রাই-এ
ছিলেন ১ বছর,
হামাদানে ছিলেন ৯
বছর, ইসফাহানে
ছিলেন ১৩ বছর।
ধারা
মুসলিম
আগ্রহ অধিবিদ্যা,
যুক্তিবিজ্ঞান,
নৈতিকতা, চিকিৎসা
শাস্ত্র,
পদার্থবিজ্ঞান,
গণিত,
জ্যোতির্বিজ্ঞান,
ধর্মতত্ত্ব
অবদান ইউরোপের
মধ্যযুগীয়
শিক্ষায় ইবন সিনা
সৃষ্ট উপকরণ
বহুল মাত্রায়
ব্যবহৃত হয়
জন্ম ও বংশপরিচয়
ইবনে সিনা বুখারার (বর্তমান
উজবেকিস্তান) অন্তর্গত
খার্মাতায়েন জেলার আফসানা
নামক স্থানে ৯৮০ খ্রিষ্টাব্দের
ডিসেম্বর মাসে (মতান্তরে,
আগস্ট মাস) জন্মগ্রহণ করেন।
আরবি পঞ্জিকা অণুসারে সালটিছিল ৩৭০ হিজরি। তার পিতার
নাম আবদুল্লাহ এবং মাতার নাম
সিতারা। তার মাতৃভাষা ছিল
ফার্সি। ফার্সি ভাষায় তিনি বেশ
কিছু কবিতা ও গ্রন্থ রচনা
করেন। তবে সমকালীন
অন্যান্যদের মত তিনিও
আরবি
ভাষাকে জ্ঞান প্রকাশের মূল
বাহন হিসেবে গ্রহণ করেন। ইবন
সীনার পিতা বুখারার
সামানীয়
সম্রাটের অধীনে একজন
সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন।
@@@@@@@@@@@@@@
জন্মের পর ইবনে সিনা
সপরিবারে আফসানাতে বাস
করছিলেন। তার দ্বিতীয় ভাইয়ের
জন্মের পর আবদুল্লাহ ও
সিতারা সবাইকে নিয়ে বুখারায়
চলে আসেন এবং তাদের শিক্ষার
জন্য যথোপযুক্ত গৃহশিক্ষক
নিয়োগ করেন। এখান থেকেই
সীনার শিক্ষার সূচনা ঘটে। সব
ভাইয়ের মধ্যে সীনা শিক্ষা
ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই বিশেষ
মেধার স্বাক্ষর রাখেন। মাত্র
১০ বছর বয়সে সমগ্র কুরআন
মুখস্থ করেন। মুখস্থের
পাশাপাশি তিনি সকল সূক্ষ্ণ ও
জটিল বিষয় নিয়ে ছোটবেলা
থেকে চিন্তা করতেন। এতে তার
বাবা-মা ও শিক্ষক সকলেই
বিস্ময় প্রকাশ করতেন। বাবা
বুআলীকে ইসমাইলী শাস্ত্র
বিষয়ে আকৃষ্ট করার চেষ্টা
করেন। কিন্তু ইবন সীনা
ইসমাইলীদের কোন কথাই বিনা
যুক্তিতে মেনে নিতেন না। তাদের
অনেক বিষয়ই তিনি যুক্তি দিয়ে
প্রত্যাখান করেন। মূলত এরা
সীনাকে শিক্ষা দেয়ার মত
যোগ্য ছিল না। তাই আবদুল্লাহ
পুত্রের জন্য আরও যোগ্য
শিক্ষকের খোঁজ করতে থাকেন।
আগে থেকেই আবদুল্লাহ
সেখানকার এক
মেওয়া বিক্রতার
কথা জানতেন। এই বিক্রতা
ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে বিশেষ
পারদর্শী ছিল। বাবা আবদুল্লাহ
সীনাকে এই মেওয়া বিক্রতার
কাছে গণিত শিখার ব্যবস্থা করে
দেন। মেওয়া বিক্রতা এর আগে
কাউকে তার জ্ঞান বিতরণের
সুযোগ পায়নি। এই সুযোগে সে
সীনাকে সানন্দে শিক্ষা দিতে
থাকে এবং সীনার মেধা এতে
আরও সহযোগীর ভূমিকা পালন
করে।

অল্প কয়েক দিনের
মধ্যেই ভারতীয় গণিতের অনেক
বিষয় তার আয়ত্তে এসে যায়।
এরপর তাকে অধ্যয়ন করতে হয়
ইসমাইলী শাস্ত্রের আইন
অধ্যায়। এতেও তিনি দক্ষতা
অর্জন করেন।তিনি
ছিলেন তৎকালীন অন্যতম
জ্ঞানী ব্যক্তিত্ব
আল নাতেলী।
নিজ পুত্রকে শিক্ষা দেয়ার
জন্য তিনি নাতেলীকে নিজের
গৃহে থাকার ব্যবস্থা করে দেন।
এই শিক্ষকের কাছে সীনা
ফিক্হ,
ন্যায়শাস্ত্র, জ্যামিতি এবং
জ্যোতিষ শাস্ত্র শিক্ষা করেন।
ছাত্রের মেধা দেখে পড়ানোর
সময় নাতেলী বিস্মিত হয়ে
যেতেন, তার অনেক প্রশ্নের
উত্তর দিতে গিয়ে ভ্যাবাচেকা
খেতে হত তাকে। বিস্মিত হয়ে
তিনি আবদুল্লাহকে বলেছিলেন,
“আপনার ছেলে একদিন দুনিয়ার
অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী হবে।
দেখবেন, ওর পড়াশোনায় কোন
ব্যাঘাত যেন না ঘটে।”
পরবর্তীতে সীনার শিক্ষক
হিসেবে আরও দুজন নিযুক্ত হন:
ইবরাহিম ও মাহমুদ মসসাহ।তখন ইবন সীনা
শিক্ষার বিষয়ে অনেকটা নিজের
উপর নির্ভর করেই চলতে
থাকেন।

########মৃত্য#######
ইস্পাহানের সৈন্যবাহিনীর নাথে
হামাদানের পথে রওয়ানা করেন।
হামাদানের সাথে সিনার অনেক
স্মুতি জড়িত ছিল। আর এখানে
এসেই তিনি আরও অসুস্থ হয়ে
পড়েন। তার এই অসুখ আর
সারেনি। হামাদানের যুদ্ধ শিবিরে
অবস্থানকালে ইবন সিনা ১০৩৭
খ্রিস্টাব্দে (৪২৮ হিজরী)
মৃত্যুবরণ করেন।

4 months ago (12:31 pm) 484 views
Report

About Author (9)

Contributor

Noy to........ Jano Na hoy........ Janao

 

1 responses to “[ISLAMIC POST]জেনে নিন একজন মহান মনিষি সম্পর্কে কিছু তথ্য [পর্ব ১]”

  1. Gray Byte
    Author
    says:

    Good post.

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts

Copyright © WizBD.Com, 2018-2019