Search Any Post Of WizBD.Com
 HomeEducational Guidelines(মোটিভেশনাল পোস্ট) হ্যাকিং শিখতে হলে আগে হ্যাকিং সম্পর্কে জেনে নিন 💜💜

(মোটিভেশনাল পোস্ট) হ্যাকিং শিখতে হলে আগে হ্যাকিং সম্পর্কে জেনে নিন 💜💜

★★ আসসালামু আলাইকুম

★★ আশা করি সবাই ভালো আছেন, আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি

★★ হ্যাকিং বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় আপনারা এখনো অনেক কিছু শিখেছেন এবং অনেকেই অনেক কিছু শিখিয়েছেন ( যদিও হ্যাকিং কোন পুঁথিগত বিদ্যা না বরং হ্যাকিং হচ্ছে চলমান একটা শিক্ষা যেখানে প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন সিকিউরিটির উল্টো পীঠে নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়) । অর্থাৎ কোন সিস্টেমের দূর্বল দিকটা খুজে বের করাটাই হ্যাকিং এর প্রথম উদ্যেশ্য

★★আমার এই টিউনে আমি হ্যাকিং ট্রিক বা হ্যাকিং এর কোন পাওয়ারফুল এপ দিচ্ছি না বরং “হ্যাকার” বিষয়ে প্রচলিত সংজ্ঞার বাইরে যথাসম্ভব কিছু তথ্য এবং বাস্তবিক সত্যতা ও সম্ভাবনা তুলে ধরার চেষ্টা করবো । তাই যারা সত্যিই হ্যাকার এবং হ্যাকিং সম্পর্কে জানিতে চান তারা পোস্টটি পড়তে পারেন আর যাদের ইচ্ছা নেই তারা ইগনোর করতে পারেন ☺☺
তবে আশা করি আজকের পোস্টটি পড়ে আপনি অনেক কিছুই শিখতে বা জানতে পারবেন
👇
★★ তো চলুন আজকের টিউন সম্পর্কে আলোচনা শুরু করি 👇👇👇

প্রথমতই প্রশ্ন আসে হ্যাকার কে?

👉👉 মূলত হ্যাকার দুটি হাত- দুটি পা- দুটি চোখের সমন্বয়ে গঠিত আপনার আমার মতোই সাধারন মানুষ তবে পার্থক্যটা হলো “মাথা”তে । আপনার আমি যখন “সমস্যা” দেখলে চুল ছিড়তে ইচ্ছে করে তখন একজন হ্যাকার চুলের নিচে থাকা মাথার নিউরনে নিউরনে নতুন সমাধান খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন ।
এই বিবেচনাতে আমাদের সবারই হ্যাকার হওয়া উচিত….!!

★★ ধরুন আপনাকে আমি আমার এনড্রয়েড মোবাইল ৫ মিনিটের জন্য দিলাম এবং তা হতে তথ্য সংগ্রহ করে রাখতে বললাম । তাহলে আপনি কি করবেন??
👉খুব বড়জোর আমার মেসেজ/ফেসবুক/কন্টাক্ট ডিটেইলস/মেমোরী কার্ডের ফাইল ঘাটাঘাটি করবেন তাইনা??

অথচ একজন হ্যাকার ঐ সময়ে আমার মোবাইলের IMEI Number, MAC Address, ip Address ইত্যাদি সেন্সিটিভ বিষয়গুলা টুকে রাখতো এবং আমার এনড্রয়েড এ এমন হিডেন প্যাকেজ ইনস্টল করার চেষ্টা করতো যা থেকে পরবর্তীতে আমার এনড্রয়েডের এক্সেস অর্থাৎ নিয়ন্ত্রন নিতে সক্ষম হয় (একটা উদাহরন দিলাম আরকি),, এখানেই পার্থক্য আপনার এবং একজন হ্যাকার এর মাথার ☺☺
মনে রাখবেন 👉 “হ্যাকার সেই ব্যাক্তি যার আপনার আমার চিন্তার বাইরে এক ধাপ এগিয়ে চিন্তা করার সক্ষমতা আছে”

একজন হ্যাকারের সবচেয়ে বড় অস্ত্র কী??


👉👉 হয়তো অনেকেই মনে করেন হ্যাকারের কাছে মনে হয় হ্যাকিং করার মস্ত বড় বড় টুলস কিংবা সফটওয়ার থাকে,, কথাটা আংশিক সত্য হলেও শতভাগ সত্য নয় । কেননা শুধুমাত্র সফটওয়ার কখনোই নিজে নিজে কোন সিস্টেমে হ্যাকিং প্রসেস জেনারেট করতে পারে না । বরং হ্যাকিং সম্পন্ন করার জন্য চাই লীড; আর পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লীড হলো সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং….!!!

★ আপনি কথাতে যতো পাকা হবেন আর মানুষকে যতো কাছে টানতে পারবেন ততোই আপনার সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করার দক্ষতা বাড়বে । অর্থাৎ সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং মানে হচ্ছে কথার মাধ্যমে কারো সাথে মিশে যাওয়া এবং তার গোপন তথ্যগুলো বের করে আনা । এটাই হ্যাকারদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র । এমন অনেকেই আছেন যারা চোখের পলকে আপনাকে হিপ্নোটাইজ করে আপনার মুখ হতেই আপনার সমস্ত ডিটেইলস কিংবা ব্যাংকিং ইনফরমেশন হাতিয়ে নিতে পারে ওরা সাইবার জগতে নয় সাইকোলজিতে হ্যাকার….!!!

এমন হ্যাকিং শেখার জন্য প্রোগামিং নয় বরং মেডিটেশন আর মনুষ্য সাইকোলজি বিষয়ে চাই গভীর জ্ঞান লাভ এবং অনুশীলন ✌✌

উদাহরনস্বরূপ আপনি যদি কোন মেয়েকে ইমপ্রেস করতে চান তাহলে তার ঠোটের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলে নিশ্চিত তার মুখেও হাসি আসবে । এখন,, হাসিমুখে তাকে একটা কথা বললে তিনি চাইলেও আর বিরক্ত হতে পারবেন (অন্তত বিরক্তি প্রকাশ করতে পারবেন না) তাই বিষয়টা খুবই ইমপ্রেসিভ 😎😎

★একইসাথে হ্যান্ডশেক করা/কাধে হাত রেখে কথা বলা/হাত নাড়িয়ে কথা বলা/ভ্রু কুচকানো ইত্যাদির মাঝেও আলাদা এক প্রকার মাইন্ড ডাইভার্টিং অর্থাৎ মনকে স্বাভাবিকতার বাইরে নিয় নিজের প্রতি বশ করার ব্যাপার স্যাপার লুকিয়ে থাকে….!!
সুতরাং হ্যাকার হতে হলে আগে আপনাকে হ্যামেলিনের বাঁশিওশালা হতে হবে!

হ্যাকাররা কি ভালো মানুষ নাকি ভিলেন

★★ সত্যকথা বলতে পৃথিবী জুড়ে জাগতিক বড় বড় হ্যাকারেরা যেমন খারাপ না তেমনি সকল হ্যাকারও দুধে ধোওয়া তুলসী পাতা নয় বরং বেশীরভাগ হ্যাকারই অনৈতিকভাবে খারাপ কাজে জড়িয়ে পড়েন(সেটা হতে পারে স্বভাবে কিংবা অভাবে)। বিশেষত বাংলাদেশে বিষয়টা সত্যিই বেশ বড় সমস্যা….!!

★ দেখুন “পেটে যখন ভাত না থাকে তখন মাথার জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে টাকা ইনকাম করা অন্তত হাতে খাটুনী করে উপার্জন করা থেকে তো সহজসাধ্য” । এই বিষয়টাই তাদের খারাপ কাজে প্রলুব্ধ করে । তবে শেষের সত্যটা হলো “ক্রাইম কখনো চাপা থাকে না তাই সাইবার জগতে যতোই ভিপিএন কিংবা মাস্ক পড়ে এনোনিমাস হওয়ার চেষ্টা করেন না কেন আপনার অপরাধ আপনার ছায়ার মতোই আপনাকে শাস্তির দোরগোড়ায় পৌছে দিবে”।

★ অতএব “সফল হ্যাকার হওয়ার আগে আপনাকে মানসিক দিক থেকে উদার এবং একইসাথে ইথিক্যাল মাইন্ডের হতে হবে”!

আমি কি হ্যাকার হতে পারবো??

★★ এটা একদম অমূলক একটা প্রশ্ন কেননা সবার ভেতরেই কমবেশি হ্যাকিং যোগ্যতা দিয়েই স্রষ্টা আমাদের সৃষ্টি করেছেন কেননা জ্ঞান হলো শিক্ষা আর “বুদ্ধি” হলো হ্যাকিং তাই হ্যাকার হতে হলে আপনাকেই চেষ্টা করতে হবে ।
হয়তো আপনার কাছে পিসি নেই কিন্তু এনড্রোয়েড তো আছে? এনড্রোয়েড না থাকলে জাভা/সিম্বিয়ান মোবাইল তো আছে? তাহলে শেখার শুরুটা সেখান হতেই আরম্ভ করুন।

★ আপনি Google এ গিয়ে “How to Learn Hacking” লিখে সার্চ করুন আর পড়তে থাকুন -জানতে থাকুন -শিখতে থাকুন তাহলে দেখবেন অজান্তেই কোন একদিন আপনি হ্যাকার হয়ে গিয়েছেন কেননা হ্যাকিং বিদ্যাতে কেন সার্টিফিকেট হয়না বরং মনের মাঝেই আলদা এক প্রকার স্যাটিসফেকশন আসে!

★ এছাড়াও নিয়মিত টেকনোলজি রিলেটিভ বাংলা-ইংলিশ টিক্স টিপস ফলো করুন এবং সময় বুঝে তা এপ্লাই করে প্রাকটিস করুন (তাইবলে কারো ক্ষতি করে বসবেন না যেন)

★ আবার আপনি যদি সাইবার স্পেসের বীরসেনা হতে চান তবে একটু ধৈর্য্য খানিকটা প্রচেষ্টা নিয়ে লেগে পড়ুন প্রোগামিং শিখতে; প্রথম প্রথম HTML/CSS/JAVA ইত্যাদি হয়তো আগডুম বাগডুম মনে হতে পারে কিন্তু সময়ের সাথেই সেসকল কোডিং আপনাকে হ্যাকিং ক্যাডার বানিয়ে তুলবে!

হ্যাকিং কোর্স আছে নাকি ফ্রডিং??

★★ দেখুন সব শিক্ষার শুরুতেই টিচার লাগে কিন্তু বাংলাদেশে বেশীরভাগ টিচারই চিটার(হ্যাকিং বিষয়ে) সুতরাং পারসোনালি আমি উপদেশ দিবো এসব এড়িয়ে চলুন এবং এদের দিকে মুখ বাকিয়ে একখানা লম্বা সালাম দিয়ে ইগনোর করুন- এটাই ওদের সঠিক প্রাপ্তি!

★ মূলত যারা হ্যাকিং শেখানোর টাকা নিয়ে মুখ লুকায় তারাও কিন্তু হ্যাকার কেননা তাদের কথার ঝাঝে আপনাকে বিমুগ্ধ করার মতোন যোগ্যতা আছে (সাইকোলজিতে সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং) আর আপনি তাতেও অবাক বুদ্ধ (সাইবার স্পেসে ভিক্টিম)
সুতরাং হ্যাকিং করতে কোর্স নয় বরং ইন্টারনেটেই কিভাবে নিজে নিজে কারিশমা করা যায় সেটা ট্রাই করুন।
আপনার জন্য শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হতে পারে Google এবং Youtube এবং বন্ধু হতে পারে Wikipedia এবং Quara!

আমাকে হ্যাকিং শেখাবেন প্লিজ??

★★ মূলত এই কমন প্রশ্নটা বিরক্তিকর কেননা একটা প্রশ্ন যদি ৫ বার শুনতে মজা লাগে তবে ৫০বার এর বেলাতে নিশ্চিত বিব্রতকর শোনাবে সুতরাং হ্যাকিং শেখার জন্য কারো পিছে না ঘুরে বরং নিজে নিজে শেখার চেষ্টা করুন । কিভাবে করবেন সেটা আপনার ব্যাপার কেননা সফলতার পারফেক্ট সংজ্ঞা হয়না আর সফলতার কোন নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন নেই । সুতরাং যেখানেই শিক্ষা পাবেন তা টোকাই এর মতোন টুকে নিন তাহলেই আপনি একদিন জ্ঞান রাজ্যের রাজা হতে পারবেন।

হ্যাকার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে??


(১) প্রচেষ্টা (২) ধৈর্য্য (৩)সময় (৪) ইচ্ছাশক্তি (৫)মেধা (৬)উদার মানসিকতা (৭) নৈতিকতা

শেষকথা আপনাদের জন্য

★★ আপনি অন্ধকার রুমে একাকী একটা মোমবাতির মতোন জ্বলতে জ্বলতে শেষ হওয়ার আগে সেই আলোতে অন্যকে আলোকিত করুন । কথাটার অর্থ হলো আপনার মেধাকে অবহেলা আর অবজ্ঞার ছলে হেলাফেলা করে সময় নষ্ট না করে তাকে বুদ্ধিবৃত্তিতে খাটান তাহলে শুধু সাইবার স্পেসে নয় বরং আপনার রিয়েল লাইফটাই বদলে যাবে আর হ্যাকিং কম্পিউটারের ক্যাবলে নয় বরং হ্যাকিং থাকে ক্রিয়েটিভ মাইন্ডে!

★★আজ এই পর্যন্তই, ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন
★★আল্লাহ হাফেজ★★
★★ফেসবুকে আমার বন্ধু হউন 👉 Mahedi Hasan

4 months ago (7:18 pm) 492 views
Report

About Author (19)

Mahedi Hasan
Author

স্বৈরাচারী স্বাধীন সাইবার সৈনিক

 

4 responses to “(মোটিভেশনাল পোস্ট) হ্যাকিং শিখতে হলে আগে হ্যাকিং সম্পর্কে জেনে নিন 💜💜”

  1. minhaj321
    Author
    says:

    thank,s bro

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts

Copyright © WizBD.Com, 2018-2019