Search Any Post Of WizBD.Com
 HomeEducational Guidelines[Hot] জেনে নিন সৌরজগৎ সম্পর্কিত সকল তথ্য A-Z (৪র্থ পর্ব) “না দেখলে পরে পস্তাবেন।”
Facebook Twitter Google Email

[Hot] জেনে নিন সৌরজগৎ সম্পর্কিত সকল তথ্য A-Z (৪র্থ পর্ব) “না দেখলে পরে পস্তাবেন।”

350px-Solar_sys
গ্রহাণু বেষ্টনী :::
গ্রহাণুগুলো মূলত খুব ছোট
ছোট সৌর জাগতিক বস্তু
যেগুলো ধাতব পাথুরে
খনিজ পদার্থ দিয়ে
গঠিত। এই খনিজ
পদার্থগুলো অনুদ্বায়ী।
মূল গ্রহাণু বেষ্টনীটি মূলত
একটি কক্ষপথ যা পৃথিবী
এবং মঙ্গলের মধ্যে
অবস্থিত। সূর্য থেকে এই
বেষ্টনীর নিকটবিন্দু এবং
দূরবিন্দুর দূরত্ব যথাক্রমে
২.৩ এইউ এবং ৩.৩ এইউ।
ধারণা করা হয়,
সৌরজগতের গঠনকালীন
সময়ে বৃহস্পতি গ্রহের
মহাকর্ষীয় আকর্ষণের
কারণে যে বস্তুগুলো
একসাথে মিলে বড় কোন
বস্তুতে পরিণত হতে
পারেনি সেগুলোই এই
বেষ্টনীতে আশ্রয়
নিয়েছে।
গ্রহাণুর আকার বিভিন্ন
রকমের হতে পারে। কয়েক
শত কিলোমিটার থেকে
শুরু করে এদের ব্যাসার্ধ্য
আণুবীক্ষণিকও হতে
পারে। বৃহত্তম গ্রহাণু
সেরেস ছাড়া বাকি
সবগুলো গ্রহাণুই “ক্ষুদ্র
সৌর জাগতিক বস্তু”
শ্রেণীর মধ্যে পড়ে। অবশ্য
৪ ভেস্তা ও ১০ হাইজিয়া
নামক গ্রহাণু দুটি
ভবিষ্যতে
বামন গ্রহ
শ্রেণীতে জায়গা করে
নিতে পারে।
তরলস্থৈতিক সাম্যাবস্থা
অর্জনে সমর্থ হলেই কেবল
বামন গ্রহের কাতারে
দাড়াতে পারবে তারা।
গ্রহাণু বেষ্টনীতে দশ-বিশ
হাজার বস্তু আছে
যেগুলোর ব্যাস এক
কিলোমিটারের উপরে।
এই সংখ্যা কয়েক
মিলিয়নও হতে পারে।
তারপরও সমগ্র গ্রহাণু
বেষ্টনীর ভর পৃথিবীর
ভরের হাজার ভাগের এক
ভাগ থেকে সামান্য
বেশী। বেষ্টনীতে
গ্রহাণুগুলো খুব একটা ঘন
সন্নিবেশিত নয়। পৃথিবী
থেকে প্রেরিত
নভোযানগুলো কোন
রকমের দুর্ঘটনা ছাড়াই
নিয়মিত এই বেষ্টনী
অতিক্রম করে থাকে। যে
গ্রহাণুগুলোর ব্যাস ১০
৪থেকে ১০ মিটারের
মধ্যে সেগুলোকে উল্কা
বলা হয়।
সেরেস
সেরেস গ্রহাণু
বেষ্টনীর বৃহত্তম বস্তু।
একে
বামন গ্রহ শ্রেণীর
মধ্যে ফেলা হয়েছে।
সূর্য থেকে এর দূরত্ব ২.৭৭
এইউ এবং এর ব্যাস ১০০০
কিলোমিটার থেকে
সামান্য কম। নিজস্ব
অভিকর্ষের মাধ্যমে
গোলকীয় আকৃতি লাভ
করার জন্য এই ব্যাস
যথেষ্টই বেশি।
ঊনবিংশ শতকে যখন
এটি আবিষ্কৃত হয় তখন
সবাই গ্রহ বলে ধরে
নিয়েছিল। কিন্তু আরও
বিস্তারিত
পর্যবেক্ষণের পর
প্রতিবেশে অন্যান্য
গ্রহাণু আবিষ্কৃত হওয়ায়
১৮৫০-এর দশকে গ্রহাণু
হিসেবে চিহ্নিত হয়।
আর
২০০৬ সালে এসে
একে বামন গ্রহ হিসেবে
পুনরায় শ্রেণীবদ্ধ করা
হয়েছে।

গ্রহাণু শ্রেণী :::
কক্ষপথের বৈশিষ্ট্যের
উপর ভিত্তি করে এই
বেষ্টনীর
গ্রহাণুগুলোকে
গ্রহাণু
শ্রেণী এবং পরিবারে
বিভক্ত করা হয়। যে
গ্রহাণুগুলো অপেক্ষাকৃত
বড় গ্রহাণুকে কেন্দ্র
করে আবর্তন করে
সেগুলোকে
গ্রহাণু চাঁদ
বলা হয়। এই চাঁদগুলো
অবশ্য মোটেই গ্রহীয়
চাঁদের মত নয়। কোন
কোন গ্রহাণু চাঁদ
আকারে তার মাতৃ
গ্রহাণুর প্রায় সমান।
গ্রহাণু বেষ্টনীতে মূল-
বেষ্টনী ধূমকেতুও
থাকে। ধারণা করা হয়,
এই ধূমকেতুগুলোই
পৃথিবীতে পানির উৎস
হিসেবে কাজ
করেছিল।
বৃহস্পতি গ্রহের এল৪ ও এল৫
বিন্দুগুলোর যেকোনটিতে
ট্রোজান গ্রহাণুদের বাস।
এই বিন্দুগুলো হল
মহাকর্ষীয়ভাবে
স্থিতিশীল অঞ্চল যারা
কোন গ্রহের সামনে
থেকে নেতৃত্ব দেয় বা
কক্ষপথে গ্রহটিকে অনুসরণ
করে চলে। অন্য যেকোন
গ্রহ বা উপগ্রহের
ল্যাগ্রেঞ্জ বিন্দুতে
অবস্থিত ছোটখট বস্তু
বোঝাতেও কখনও কখনও
“ট্রোজান” শব্দটি ব্যবহৃত
হয়। হিলডা গ্রহাণুসমূহ
বৃহস্পতির সাথে ২:৩
রেজোন্যান্সে অবস্থান
করছে। অর্থাৎ তারা
বৃহস্পতিকে যে সময়ে ২
বার আবর্তন করে সে সময়ে
সূর্যকে ৩ বার আবর্তন
করে।
এছাড়াও সৌরজগতের
অভ্যন্তরভাগে প্রচুর
রুজ
গ্রহাণু আছে। এই গ্রহাণুর
অনেকগুলোই
অভ্যন্তরভাগের গ্রহগুলোর
কক্ষপথকে অতিক্রম করে
যায়।
মধ্য সৌরজগৎ :::
মধ্য সৌরজগতের প্রধান
বস্তু হল বিশাল বিশাল সব
গ্যাস দানব এবং তাদের
ছোটোখাটো গ্রহ আকৃতির
প্রাকৃতিক উপগ্রহ। অনেক
স্বল্পকালীন
ধূমকেতু যেমন
সেন্টাউর ও এই অঞ্চলে
অবস্থান করে। অঞ্চলটির
কোন প্রথাগত নাম নেই।
অনেক সময় অবশ্য
বহিঃসৌরজগৎ নামে
ডাকা হয়। কিন্তু অতি
সাম্প্রতিক সময়ে
বহিঃসৌরজগৎ বলতে
নেপচুনের পরের
অঞ্চলটিকে বোঝায়। মধ্য
অঞ্চলে যে কঠিন বস্তুগুলো
রয়েছে সেগুলো
অভ্যন্তরভাগের মত
পাথুরে বস্তু দ্বারা গঠিত
নয়। এগুলোর মূল গাঠনিক
উপাদান হল বরফ যা
পানি,
অ্যামোনিয়া বা মিথেন
জমাট বেঁধে তৈরি হতে
পারে।বহিঃস্থ গ্রহসমূহ
মূল নিবন্ধ: গ্যাস দানব
সৌরজগতের বাইরের
দিকে অবস্থিত চারটি
গ্রহকে
গ্যাস দানব বলা
হয়। মাঝেমাঝে এদেরকে
জোভিয়ান গ্রহ নামেও
ডাকতে দেখা যায়।
সূর্যকে আবর্তনরত সকল
বস্তুর সম্মিলিত ভরের
শতকরা ৯৯ ভাগের জন্যই
দায়ী এই বহিঃস্থ
গ্রহগুলো। বৃহস্পতি ও শনি
গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রচুর
পরিমাণ হাইড্রোজেন ও
হিলিয়াম আছে।
সেখানকার বায়ুমণ্ডল মূলত
এই দুটি মৌল দিয়েই
গঠিত। নেপচুন ও
ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলে
বরফের পরিমাণ অনেক
বেশি। এই বরফও পানি
অ্যামোনিয়া বা মিথেন
জমাট বেঁধে সৃষ্টি হয়।
অনেক
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের
মতে এই গ্রহ দুটিকে সম্পূর্ণ
নতুন একটি গ্রহ শ্রেণীতে
ফেলা যায় যে শ্রেণীর
নাম হবে “বরফ দানব”। চার
দানবেরই নিজস্ব বলয়
আছে। কিন্তু শুধু শনির
বলয়ই পৃথিবী থেকে দেখা
যায়। বহিঃস্থ গ্রহকে
আবার
উৎকৃষ্ট গ্রহের
সাথে গুলিয়ে ফেলা ঠিক
হবে না। পৃথিবীর
কক্ষপথের বাইরে অবস্থিত
গ্রহগুলোকেই উৎকৃষ্ট গ্রহ
নামে ডাকা হয়।
বৃহস্পতি :::
বৃহস্পতি গ্রহের ভর
পৃথিবীর ৩১৮ গুণ এবং
সবগুলো বহিঃস্থ গ্রহের
সম্মলিত ভরের তুলনায়ও
সে ২.৫ গুণ ভারী। গ্রহটি
মূলত হাইড্রোজেন ও
হিলিয়াম দিয়ে গঠিত।
তীব্র অভ্যন্তরীন
তাপের কারণে এর
বায়ুমণ্ডলে বেশ কিছু
অর্ধ-স্থায়ী
বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টি হয়
যার মধ্যে আছে মেঘের
ব্যান্ড ও বিরাট
লোহিত কলঙ্ক।
আমাদের জানামতে এই
গ্রহের ৬৭টি প্রাকৃতিক
উপগ্রহ আছে। চারটি বড়
বড় উপগ্রহ
গ্যানিমেড,
ক্যালিস্টো, আইও এবং
ইউরোপা অনেকটা
পার্থিব গ্রহগুলোর মত।
কারণ এই উপগ্রহগুলোতে
অগ্ন্যুৎপাত ও
অভ্যন্তরীন তাপ বৃদ্ধির
মত ভূতাত্ত্বিক ক্রিয়া-
প্রতিক্রিয়া ঘটে।
সৌরজগতের বৃহত্তম
উপগ্রহ গ্যানিমেডের
আকার বুধ গ্রহ থেকেও
বড়।
শনি :::
শনি গ্রহ দৃষ্টিনন্দন
বলয়ের জন্য সবার
কাছেই বেশ পরিচিত।
বায়ুমণ্ডলের গঠনসহ বেশ
কটি দিক দিয়ে এর
সাথে বৃহস্পতির সাদৃশ্য
আছে। অবশ্য শনি
বৃহস্পতির মত অতো বড়
না। এর ভর পৃথিবীর
মাত্র ৯৫ গুণ। শনির
৬২টি জানা উপগ্রহের
মধ্যে দুটিতে
বর্তমানেও ভূতাত্ত্বিক
ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া
চলছে বলে ধারণা করা
হয়। এছাড়া শনির আরও
তিনটি উপগ্রহ আছে
বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
টাইটান ও
এনসেল্যাডাস উপগ্রহ
দুটিতে ভূতাত্ত্বিক
ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া
ঘটলেও সেগুলোর মূল
গাঠনিক উপাদান
আসলে
বরফ। টাইটান
বুধের চেয়ে বড় এবং
এটি সৌরজগতের
একমাত্র উপগ্রহ যাতে
উল্লেখযোগ্য পুরুত্বের
বায়ুমণ্ডল আছে।
ইউরেনাস
ইউরেনাসের ভর
পৃথিবীর ১৪ গুণ। কিন্তু
বহিঃস্থ গ্রহগুলোর
মধ্যে এটিই সবচেয়ে
হালকা। এই গ্রহের নিজ
অক্ষের চারদিকে
পরিভ্রমণ অক্ষ সূর্যের
চারদিকে আবর্তন
অক্ষের প্রায় সমতলে
অবস্থিত। এ কারণে
সেখানে কোন ঋতু
পরিবর্তন ঘটে না। এর
অ্যাক্সিয়াল টিল্ট ও
ভূকক্ষের মধ্যবর্তী কোণ
৯০°’র চেয়ে বেশি।
অন্যান্য গ্যাস দানবের
চেয়ে এর কেন্দ্রের
তাপমাত্রা কম বলে সে
মহাকাশে
তুলনামূলকভাবে কম তাপ
বিকিরণ করে। এর
জানা উপগ্রহের সংখ্যা
২৭টি। এর মধ্যে বড়
উপগ্রহগুলি হচ্ছে
টাইটানিয়া, ওবেরন,
আমব্রিয়েল, এরিয়েল ও
মিরান্ডা।
নেপচুন
নেপচুনের আকার
ইউরেনাসের চেয়ে কম
হলেও ভর তার থকে
বেশি। ইউরেনাসের ভর
পৃথিবীর ১৪ গুণ আর
নেপচুনের ভর ১৭ গুণ। এ
কারণে নেপচুনের ঘনত্ব
তুলনামূলক বেশি। এটি
তুলনামূলক বেশি তাপ
বিকিরণ করে তবে এই
বিকিরণের পরিমাণ
বৃহস্পতি বা শনির
থেকে কম। নেপচুনের
জানা উপগ্রহের সংখ্যা
১৪। এর মধ্যে সবচেয়ে বড়
ট্রাইটন
ভূতাত্ত্বিকভাবে
সক্রিয়। এই উপগ্রহে
উষ্ণ
প্রস্রবণ ও তরল
নাইট্রোজেন আছে।
ট্রাইটন একমাত্র বড়
উপগ্রহ যার প্রতীপ
কক্ষপথ আছে। নেপচুনের
কক্ষপথে বেশ কিছু
ক্ষুদ্র
গ্রহ আছে যেগুলোকে
নেপচুন ট্রোজান বলে।
এই ট্রোজানগুলো মাতৃ
গ্রহের সাথে ১:১
রেজোন্যান্সে আবর্তন
করে।

**আজকে এই পর্যন্ত ,
**ভালো লাগলে অবশ্যই ১ টি লাইক দিয়ে কমেন্ট করে জানাবেন। *ধন্যবাদ।

3 months ago (4:52 pm) 252 views
Report

About Author (36)

Author

{জানতে এবং জানাতে ভালোবাসি,,,,কারন, পরোপকারই পরম ধর্ম।} {I Love Wizbd} Java App Store

 

2 responses to “[Hot] জেনে নিন সৌরজগৎ সম্পর্কিত সকল তথ্য A-Z (৪র্থ পর্ব) “না দেখলে পরে পস্তাবেন।””

  1. Shanto Shanto
    Administrator
    says:

    কপি পেস্ট করবেন না প্লিজ..

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts

Copyright © WizBD.Com, 2018-2019