Search Any Post Of WizBD.Com
 HomeAndroid Tipsহোস্টিং কি?

হোস্টিং কি?

হ
হোস্টিং কি?-what is hosting?

হোস্টিং কি? ( what is hosting?) 
হোস্টিং মানে স্পেস,
স্পেস মানে জায়গা।
ধরুন, আপনি একটা ওয়েব সাইট বানালেন,
এখন ওই সাইট এ যা যা আপ্লোড দিবেন,  সেই গুলা কোথায় থাকবে?
সেই গুলা রাখার জন্য অবশ্য একটা জায়গা লাগবে তাইনা?
এই জায়গাকেই হোস্টিং বলে।
অর্থাৎ, আপনার কন্টেন্ট গুলা যেখানে থাকবে, সেই জায়গাকেই হোস্টিং বলে।

(যারা জানেন না ডোমেইন কি, তারা এই পোস্ট পড়ুন)

সাধারণত, এই জায়গা বলতে মাটির জায়গা না।
এখানে জায়গা বলতে পিসির হার্ড ডিস্ক কে বুঝানো হয়েছে।

মানে,
আপনার ফাইল গুলো কোন একটা পিসির হার্ড ডিস্ক এ জমা হবে।

এখন আপনি চাইলে আপনার পিসিতেও রাখতে পারেন,
কিন্তু এর জন্য আপনাকে (২৪*৭*৩৬৫) মানে সব সময় পিসি চালু রাখতে হবে+ সব সময় ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে।

এটা সহজ এ সম্ভব না,
তাই আমরা হোস্টিং প্যাকেজ কিনে নেই।

একেক প্রোভাইডার এর হোস্টিং একেক রকম হতে পারে।

আপনার যদি মাস্টার কার্ড থাকে, তাহলে ইন্টারন্যাশনাল মানের কোন প্রোভাইডার থেকে হোস্টিং কিনবেন।

ইন্টারন্যাশনাল মানের কয়েকটি হোস্টিং কম্পানির লিংক নিচে দেয়া হল

https://sg.godaddy.com

https://www.namecheap.com/hosting/

https://www.bluehost.com

আমাদের বাংলাদশ এই খুব ভালো মানের হোস্টিং কম্পানি রয়েছে,
তারাও খুব ভাল সার্ভিস দেয়।

আপনি চাইলে আমাদের বাংলাদেশের প্রোভাইডার এর কাছ থেকেও কিনতে পারেন।

বাংলাদেশের কয়েকটি হোস্টিং কম্পানির লিংক নিচে দেয়া হল

https://alpha.net.bd

https://www.dianahost.com

আপনার ওয়েবসাইটটিকে যদি তুলনা করা হয় আপনার প্রতিষ্ঠানের অফিস বিল্ডিং হিসাবে, তবে তার তথ্য বা কনটেন্ট হবে এর আসবাবপত্র। আর ওয়েবসাইট ডেভেলপ করাকে তুলনা করা যাবে বাড়িটি তৈরি করার সাথে। সেক্ষেত্রে ওয়েবসাইট হোস্টিংকে তুলনা করা যায় আপনার অফিস বিল্ডিংয়ের জন্য জায়গা কেনা এবং সে জায়গায় বাড়িটি তৈরি করার সাথে। তবেই ভিজিটররা ওয়েবসাইটি ব্যবহার করার সুযোগ পাবে। কোন ওয়েব সাইট যে জায়গা জুরে থাকবে সেটাই ওই সাইটের হোস্টিং। আমরা দেখি যেকোন ওয়েব সাইট কিছু টেক্সট এবং মাল্টিমিডিয়া (Picture / Video) দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে। এই গুলা যে জায়গা বা BIT দখল করে তাকে ওই সাইটের হোস্টিং বলে। তবে সব থেকে ভাল হয় Domain and Hosting উদাহরন দিয়ে বোঝান যায়।
ধরুন…
1/ আপনার একটি বাড়ি আছে।
2/ বাড়িটি ১ একর জমির উপর আছে।
3/ বাড়িটি ঠিকানা 500/5 ধানমন্ডি, ঢাকা।
ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে বলতে গলে
১-আপনার বাড়ি টায় আপনার সাইটের কনটেন্ট
২-বাড়ির জমি হচ্ছে আপনার ওয়েব সাইটের হোস্টিং
৩-বাড়ির ঠিকানা হল ওয়েব সাইটের ডোমেইন
বিভিন্ন হোস্টিং কোম্পানি আছে যারা সাইট হোস্টিং করে থাকে। আপনার যেই হোস্টিং প্যাকেজটি ভালো লাগে আপনি সেটি কিনতে পারেন।




আমরা এতহ্মন জানলাম,
হোস্টিং কি?
কিন্তু,হোস্টিং এর মধ্যে আবার পার্থক্য আছে।

এখন আমরা জানব, হোস্টিং এর ধরন।

কত ধরনের হোস্টিং রয়েছে?

সাধারনত হোস্টিং কয়েক ধরনের হতে পারে

১.বিনামূল্যে হোস্টিং করা  (Free hosting)

ছোটখাট ব্যাক্তিগত ওয়েব সাইটের জন্য এই হোস্টিং ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। Bandwidth/Monthly Traffic খুব কম থাকে।নিরাপত্তা শক্ত হয়না। কোন ডোমেইন নামও পাবেননা।

আর ফ্রি হোস্টিং এর সার্ভার মাজে মাজে ডাউন থাকে তাই ভালো ফলাফল পাবেন না।
ফ্রি হোস্টিং ব্যাবহার না করাই ভাল।
তবে টেস্ট করার জন্য ফ্রি হোস্টিং ব্যাবহার করা যেতে পাড়ে।


২. শেয়ারড হোস্টিং (Shared  Hosting)

এই হোস্টিং সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রচলিত। আমরা যে হোস্টিং গুলো ব্যাবহার করছি বা সাধারনত হোস্টিং প্রোভাইডাররা যে হোস্টিং অফার করে থাকে তা সবই শেয়ারড হোস্টিং। প্রফেশনাল বা কোন বড় সাইটের একটা স্বয়ংসম্পূর্ন সার্ভারের নির্দিষ্ট পরিমান সার্ভিস দরকার। এই সমস্ত সুবিধা নিজস্ব সার্ভারে নিয়ে আসতে গেলে বেশ ব্যায়বহুল হয়ে যায়। এদের জন্য Shared Hosting উপযুক্ত। এই সার্ভারের নিরাপত্তা কম  থাকে কারন এখানে একসাথে অনেক Client এর সাইট(১০ থেকে শুরু করে আরও বেশি) একসাথে থাকে। এছাড়া আনলিমিটেড ডেটাবেস, ইমেইল, ব্যান্ডওয়াইডথ এসব পাবেননা, সব সীমিত। খুব ভাল হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছে হোস্টিং করালে শেয়ারড হোস্টিং প্যাকেজে সর্বোচ্চ নিচের সুবিধা গুলি পেতে পারেন

— ১০০% আপটাইম

— আনলিমিটেড ডিস্ক স্পেস (আসলে ১ লক্ষ ফাইল পার হলে আর আপলোড করতে দেয়না)

— আনলিমিটেড ব্যান্ডওয়াইডথ

— আনলিমিটেড ডেটাবেস

— ফ্রি cPanel

— নিজের ডোমেইনের জন্য কোন ডেডিকেটেড আইপি পাবেন না, কোন সফটওয়্যার ইনস্টল দিতে পারবেন না (সার্ভারে) এছাড়া আরো সীমাবদ্ধতা আছে।

আসলে তাদের মুল সার্ভারটির CPU এর ২৫% ভাগ বেশি ব্যবহার করে ফেললে নানান টালবাহানা শুরু করে। যেহেতু সব আনলিমিটেড লেখা থাকে তাই সরাসরি বলবেনা যে আপনোকে ডেডিকেটেড সার্ভার নিতে হবে। যখনি আপনার সাইটে প্রচুর হিট পড়বে তখনি ইনিয়ে বিনিয়ে নানান কথা এবং কাজের মাধ্যমে বুঝাতে চাইবে তারাতারি ডেডিকেটেড সার্ভার নিন। যদি না বোঝেন তাহলে আস্তে আস্তে সাইট বন্ধ/ডাউন করে রাখবে।

এরুপ একটি প্যাকেজ নিলে বছরে ৬/৭ হাজার টাকা খরচ পড়তে পারে।


৩. ডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated Hosting)

এই হোস্টিং এর জন্য ডেডিকেটেড সার্ভার প্রয়োজন। এটা অনেক ব্যায়বহুল। যদি আপনার ওয়েবসাইট অনেক অনেক বড় হয় এবং শক্ত নিরাপত্তা দরকার তখন এই হোস্টিং করা চলে। এখানে আপনি আপনার খরচ পরিমান হার্ডওয়্যার পাবেন। যত ব্যাস্ত সাইট হবে তত বেশি পাওয়ারফুল হার্ডওয়্যার লাগবে। এই হোস্টিং ২ প্রকার

Managed Hosting: হোস্টিং প্রোভাইডাররাই সব করে দেবে যেমন নিরাপত্তা, সার্ভার সেটাপ, নেটওয়ার্ক কনফিগার, কোন সফটওয়ার ইনস্টল দেয়া ইত্যাদি এজন্য তাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা দিতে হবে।

Unmanaged Hosting: আপনি যদি Server administrator হন অর্থ্যাৎ আপনি যদি নিজেই আপনার এই ওয়েব সার্ভারের সকল কাজ করে নিতে পারেন তাহলে এটা হবে Unmanaged Hosting. এতে আপনার অনেক অর্থ সেভ হবে। সার্ভার ম্যানেজ করা শেখা যায়। ওয়েবে হাজারটা টিউটোরিয়াল আছে ইচ্ছে করলে শিখে নিজের কাজ নিজেই চালাতে পারেন।

একটা ডেডিকেটেড হোস্টিং প্যাকেজের বর্ননা এবং উদাহরন

Intel Xeon Quad Core 2.5GHz (8 threads) : ৮ কোরের প্রসেসর ২.৫ গিগাহার্জ ক্লক রেট।

500 Mbps Uplink : ৫০০ মেগাবিট ডেটা সেকেন্ডে ট্রান্সফার করতে পারবে।

8 GB Ram : RAM ৮ জিবি

1,000 GB RAID-1 Drives : ১০০০ জিবি হার্ডডিস্ক RAID 1 প্রটেকশন

20 TB Bandwidth : ২০ টেরাবাইট অর্থ্যাৎ ২০,০০০ জিবি মাসিক ব্যান্ডওয়াইডথ (বা এই পরিমান ডেটা ট্রান্সফার করতে পারবেন)

4 Dedicated IPs : ৪ টা ডেডিকেটেড আইপি

WHM, cPanel ফ্রি পাবেন, আনলিমিটেড ডেটাবেস তৈরী করতে পারবেন এবং আরো অনেক সুবিধা পাবেন।

এরুপ একটি হোস্টিং প্যাকেজ কিনতে মাসে প্রায় ১০ হাজার টাকার মত লাগবে।


৪. ভিপিএস বা VPS (Vertual Private Server) হোস্টিং

শেয়ারড আর ডেডিকেটেড হোস্টিং এর মাঝামাঝি হল ভিপিএস হোস্টিং। ডেডিকেটেড সার্ভারে সব হার্ডওয়্যার রিসোর্স একা আপনাকে দিয়ে দিবে এবং আপনার সাইট একটি সার্ভারে থাকবে। আর শেয়ারড হোস্টিং এ আপনার সাইটের সাথে থাকবে আরো হাজারটা সাইট। বিস্তারিত উপরেই আছে। ভিপিএস হোস্টিং এ সাধারনত একটা ডেডিকেটেড সার্ভার কয়েকজনকে ভাগ করে দেয়। যেমন ১৬ জিবি র‍্যামের একটা সার্ভার আপনাকে দিল ৪ জিবি এবং বাকিগুলি আরো ৩ জনকে দিল এভাবে সব রিসোর্স ভাগ/সীমাবদ্ধ করে দেয়। ডেডিকেটেড সার্ভারের মতই মোটামুটি নিজের মত যেকোন সফটওয়্যার ইনস্টল দেয়া যায়। সাধারনত তখন এরুপ হোস্টিং প্যাকেজ নিবেন যখন একটা ডেডিকেটেড সার্ভারের সব রিসোর্স আপনার লাগবেনা, তাহলে কাজও হল কিছু অর্থ সেভ হল।


আরো পড়ুন: ডোমেইন কি? (what is domain?)

আর সব সময় আপডেট থাকতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।

ফেসবুক এ আমরা, facebook.com/NewBanglaTricks

আর সব চাইতে ভালো হয়, আমাদের Android app টি আপনার মোবাইল এ ইন্সটল করে রাখুন, কোন নতুন পোস্ট করলেই আপনি নোটিফিকেশন পাবেন, আর চাইলে প্রতিদিন একবার করে চেক করতেও পারেন।

আমাদের Android app Download করতে নিচের Download Here এ ক্লিক করুন।

Download Here

আরো পড়ুন : যে কল দিবে তার নাম বলবে মোবাইল

আরো পড়ুন: কিভাবে মোবাইল এর ব্যাটারি ভালো রাখা যায়? 

আরো পড়ুন: Android Mobile এ মাউস ব্যাবহার করব কিভাবে?

আরো পড়ুন: কিভাবে মোবাইল Super Fast রাখা যায় ?

আশা করি বুঝতে পেরেছেন,
কোন কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করুন।

পোস্ট টা ভালো লাগ্লে ফ্রেন্ড দের সাথে শেয়ার করুন।

আরো বাংলা ট্রিকস জানতে newbanglatricks.com থেকে ঘুরে আসুন।

9 months ago (6:35 pm) 677 views
Report

About Author (8)

Author

আরো বাংলা ট্রিকস জানতে, https://www.newbanglatricks.com থেকে ঘুরে আসুন।

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts